Live TV

Monday, December 24, 2012

ল্যাপটপকে ইউজ করুন Wi-Fi Hotspot হিসেবে আর Android ফোনের সাথে Internet & File/Folder Share করুন সহজেই।


আমরা যারা অ্যান্ড্রয়েড/আইফোন ইউজ করি তারা ভাল করেই জানি ইন্টারনেট ছাড়া এধরনের গ্যাজেট ইউজ করে তেমন মজা নাই, কারন হরহামেশাই ঢু মারতে হয় অ্যাপস্টোরগুলোতে। এছাড়া অ্যাপ্লিকেশনগুলো যখন তখন ইন্টারনেট অ্যাক্সেস চায়। কিন্তু বাংলাদেশের মোবাইল অপারেটরদের ইন্টারনেটের যা অবস্থা তাতো আপনারা জানেনই। আবার গ্যাজেটগুলোতে ওয়াই-ম্যাক্স ইউজ করা যায় না অথবা কিনতে হয় ব্যয়-বহুল রাউটার। এখন উপায় কি? উপায় একটা আছে যদি আপনার ল্যাপটপ থাকে।  আপনার ল্যাপটপ থাকলে এটিকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই হটস্পট এবং
*শেয়ার করুন আপনার ইথারনেট/ওয়াই-ম্যাক্স(Dongle) ইন্টারনেট কানেকশন
* শেয়ার করুন ফাইলস এবং ফোল্ডারস, ল্যাপটপ-ফোন/ফোন-ল্যাপটপ.
এজন্য আপনার প্রয়োজন দুটি Software
Internet Sharing:
ল্যাপটপের জন্য ডাউনলোড করুন Connectify Pro
মোবাইলের জন্য ...... একটু পরে বলি কারন এখনও তো আপনার মোবাইলে নেট কানেকশন নেই তাই না
*প্রথমে ডাউনলোড করুন Connectify Pro এবং Install করুন
* Connectify ওপেন করুন
*এবার আপনার হটস্পটের একটা নাম দিন
*Sharing Mode  WPA2 সিলেক্ট করে Password A-F এবং - এর কম্বিনেশনে 10 digit এর একটি password দিন
*Internet to share  আপনার existing internet connection সিলেক্ট করুন (Wi-Fi/ Ethernet/Wi-Max)
* Share Over Wi-Fi সিলেক্ট করুন
*Firewall এর দুটো অপশনেই টিক মারুন
* এবার Start Hotspot ক্লিক করুন
এবার আপনার হটস্পট Ready to Connect
এখন আপনার ফোনের Wi-Fi on করলেই আপনার হটস্পটের নাম দেখতে পারবেন
এবার Connect করুন আপনার দেওয়া password দিয়ে। আপনার ফোন এবার নেট কানেক্টেড
File Sharing:
*File sharing এর জন্য Android ফোন থেকে Google Play (Market) গিয়ে installs করুন ES File Explorer
*এবার ল্যাপটপ এর যে  Drive শেয়ার করবেন সেটিতে right click করে properties যান
*sharing ট্যাবে গিয়ে advance sharing ওপেন করুন
*Share this folder   টিক মারুন
* share name যা আছে তাই রাখুন
*Limit the number of simultaneous user to তে কমিয়ে আপনার প্রয়োজনমত করে দিন।(প্রয়োজন না থাকলে সিকিউরিটির জন্য 1 করে দিন
* Permission ক্লিক করুন এবং Everyone কে রিমুভ করে দিন
*Add ক্লিক করে Enter the object names to select এর ঘরে আপনার User Name (Windows) টাইপ করে Check Names ক্লিক করুন। দেখুন আপনার অ্যাকাউন্ট খুজে পেয়েছে। এবার OK করে বেরিয়ে আসুন
* এবার group or user names ফিল্ডে আপনার অ্যাকাউন্ট সিলেক্ট করে Full Control টিক মারুন
* Apply, OK & Apply, OK & Apply, OK করে বেরিয়ে আসুন
*যতগুলো ড্রাইভ শেয়ার করতে চান প্রত্যেকটা প্রত্যেকটা এভাবে শেয়ার করুন
* এবার Command Prompt চালু করুন এবং টাইপ করুন ipconfig.
*এখান থেকে ipv4 address টি টুকে রাখুন যেটি দেখতে অনেকটা 192.168.010.078 এর মত। এটি পরে কাজে লাগতে পারে
Lan Connection:
*এখন আপনার ফোনে গিয়ে ES File Explorer চালু করুন
* Local ট্যাবে ট্যাপ করে Lan সিলেক্ট করুন
* অপশনে গিয়ে New ট্যাপ করুন এবং Scan করুন
* দেখুন আপনার ল্যাপটপ এর নাম এবং Connectify মিলে abc-PC.connectify এরকম একটা server খুজে পাবে
যদি Server পায়ঃ
* Server টিকে edit server যান
* Server ip address যা আছে তাই রাখুন, Anonymous এর টিকটা উঠিয়ে দিন
* Username আপনার windows account name টাইপ করুন
*Password   আপনার windows account password টাইপ করুন। না থাকলে windows password দিয়ে নিন সিকিউরিটির জন্য
* Display as এর .connectify অংশটুকু কেটে দিতে পারেন ইচ্ছা হলে
* OK করে বেরিয়ে আসুন
যদি Server না পায়ঃ
* অপশনে গিয়ে New ট্যাপ করুন এবং Server ট্যাপ করুন
* Domain Name খালি রাখুন, Server টুকে রাখা ip address টাইপ করুন
* Username আপনার windows account name টাইপ করুন
*Password   আপনার windows account password টাইপ করুন। না থাকলে windows password দিয়ে নিন সিকিউরিটির জন্য
* Display as আপনার PC Name দিন (এটি খুজে পাবেন My Computer এর properties
* OK করে বেরিয়ে আসুন
পর্যন্ত ঠিকভাবে করলে Lan connection হয়ে গেল
File & Folder Transfer:
এবার file/folder transfer করতে হলে Server টি ট্যাপ করে ওপেন করুন দেখবেন শেয়ার করা ড্রাইভগুলো দেখতে পারছেন
*এবার যে file/folder গুলো transfer করতে চান সেগুলো সিলেক্ট করে Tap & Hold করে copy করুন। দেখুন নিচে ড্যাশবোর্ডে file/folder টি copy হয়ে আছে
* Lan ট্যাবে ট্যাপ করে Local সিলেক্ট করুন এবং যে folder রাখতে চান সেখানে গিয়ে  ড্যাশবোর্ড ওপেন করে file/folder টি Tap & Hold করে paste/paste all করুন। দেখুন transfer শুরু হয়ে গেছে। এভাবে উল্টোটা মানে Local-Lan file/folder transfer করতে পারেন
পারলেন কি না জানাবেন কিন্তু
Note:
  • আপনি এই হটস্পট ইউজ করে অন্য ল্যাপটপেও ইন্টারনেট file/folder শেয়ার করতে পারবেন, তবে file/folder শেয়ার করতে হলে ওই ল্যাপটপেও Connectify Pro ইন্সটল করতে হবে
  • Net connection না থাকলে এভাবে file/folder transfer করতে পারবেন
  • ES File Explorer টি Android এর জন্য, iPhone  এর similar software  খুজে দেখতে পারেন
  • Sharing interface টা windows 7  ল্যাপটপ করা, windows xp  তে একটু আলাদা হতে পারে, না পারলে বলবেন
টিউনটা অনেক আগে পোষ্ট করবো ভেবেছিলাম। কিন্তু বাংলা অনেকদিন লেখা হয় না বলে বাংলা টাইপ প্রায় ভুলে গেছি। তাই বাংলা-ইংরেজী মিলিয়ে ফোনেটিকে লিখতে অনেক সময় লাগে বলে লেখা হয় না। অনেকক্ষণ ব্যয় করে লেখাটা শেষ করলাম।আমার টিউন আপনাদের কাজে আসলে আরো টিউন করবো। সবার ভাল থাকা চাই কিন্তু

জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল থাকলে বা হারিয়ে গেলে কি করবেন বিস্তারিত জেনে নিন


সরকারী বে-সরকারী বিভিন্ন কাজে জাতীয় পরিচয়পত্র থাকা প্রায় বাধ্যতামূলক। আপনার হয়ত জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল রয়েছে অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেছে কিন্তু কিভাবে সংশোধন/ডুপ্লিকেট ইস্যু করতে হবে বা কোথায় যেতে হবে জানা নেই। ওয়েবেও সহজে এই তথ্য পাওয়া যায় না। তাই আমি জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে বা কিভাবে তথ্য সংশোধন/সংযোজন করা যায় তা বিস্তারিত বর্ণনা করব। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে তথ্য নেয়া হয়েছে।
কিভাবে নিজের নাম পরিবর্তন, নিজের/পিতার/মাতার নাম  সংশোধন করবেন-

বিবাহ বিচ্ছেদের কারনে স্বামী/স্ত্রীর নাম পরিবর্তন-

পিতা/মাতার নাম পরিবর্তন-

জন্ম তারিখ পরিবর্তন/সংশোধন

রক্তের গ্রুপ সংশোধন

অন্যান্য সংশোধন

জাতীয় পরিচয়পত্র হারানো গেলে-

আবেদন পত্র:
তথ্য সংযোজন/সংশোধন
জাতীয় পরিচয়পত্র হারানো গেলে
যেকোন জেলার বাসিন্দা হলেও ঢাকায় নিম্নলিখিত ঠিকানায় যেতে হবে
ঠিকানা:
ন্যাশনাল আইডি উইং
ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন ভবন








আগারগাও ঢাকা

Thursday, December 20, 2012

এন্ড্রয়েড সেট কেনার আগে কি কি দেখবেন!



পড়ে থাকবেন  যা হোক জাভা,সিম্বিয়ান মোবাইলের যুগ চলে গেছে সবাই এখন  এন্ড্রয়েড দিকে ঝুঁকছে
কিন্ত প্রথমেই এন্ড্রয়েড সেট সম্পর্কে বিস্তারিত না  জেনেই আজাবাজে কনফিগারেশনের সেট কিনে
ভাল গেমগুলো খেলতে না পেরে আফসোস করেন অনেকেই__
এন্ড্রয়েড সেট কেনার আগে সেটের যে জিনিসগুলো সম্পর্কে বেশি গুরুত্ব দিবেনঃ
PROCESSOR
CHIPSET
GPU
RAM
ROM

PROCESSOR: মিনিমাম 1Ghz ARMv7 এ রকম প্রসেসর  আছে এমন সেট বাচাই করবেন তা না হলে স্যামসাং
 গ্যালাক্সি ওয়াই এর মত 830 MHz ARMv6 প্রসেসর  আছে এরকম সেট আপনি ভাল গ্রাফিক্স গেমগুলো খেলতে
 পারবেন না এং  830 MHz ARMv6  হলে স্কাইপে তে ভিডিও চ্যাট করতে পারবেন না আপনি যদি
 grand theft auto vice cityএর মত HD গেমগুলো খেলতে চান তবে অবশ্যই Dual-core নির্বাচন করবেন_
CHIPSET:Qualcomm চিপসেট আছে এরকম সেট বাচাই করুন নয়ত ভাল গ্রাফিক্স এর গেম খেলতে পারবেন না ।
GPU : GPU ছাড়া আপনি উন্নত গ্রাফিক্স এর গেম খেলতে পারবে না বর্তমানে Adreno 200,Adreno 205  চলছে HD  গেম খেলার ইচ্ছা থাকলে Mali-400 নির্বাচন করবেন ।
RAM :মিনিমাম 512MB Ram আছে এ রকম সেট নির্বাচন করুন অন্যথায় এর চেয়ে কম র‍্যাম থাকলে গেম খেলার সময় গেম হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যাবে।
ROM: এন্ড্রয়েড এ অ্যাপ্লিকেশন যতই কাহিনি করে SD Card MOve করেন না কেন তবুও অ্যাপস গুলো ফোন
মেমরির কিছু জায়গা নিবে তাই  ROM>1GB দেখে নিন।
এছাড়া ক্যামেরা,ডিসপ্লে এগুলো ত আপনি দেখবেন তাই এসব লিখে টিউন লম্বা করলাম না

Saturday, December 15, 2012

GOOGLE মামার গোপন ট্রিকস




আজকে আপনাদের সাথে যে ট্রিকসটি শেয়ার করবো তা খুবই ইন্টারেস্টিং
ধরুন আমি আপনাকে নিয়ে গেলাম উন্নত দেশগুলোর কোন একটি তে। সেখানে গিয়ে দেখলেন তাদের কৃষ্টি-কালচার।
অজানা অনেক কিছুই দেখা হবে, জানা হবে, চক্ষু জুড়ানো সেই সব ছবি। নিজে দেখে তো ভাল লাগবেই। দেখাতে পারবেন আপনার কাছের মানুষকেও।

তাহলে আর দেরি কেন।

JUST ওপেন করুন আপনার google হোম পেজ। আর এর সার্চ লিখুন “inurl:view/view.shtml” তারপর সার্চ করুন।

যে রেজাল্ট গুলো আসবে সেগুলোর যেকোন একটি ক্লিক করুন। বা একটা একটা করে ক্লিক করতে থাকুন। আর উপভোগ করুন তথ্যপ্রযুক্তির অপার আশীর্বাদ।

Tuesday, November 27, 2012

ইন্টারনেট এর স্পীড কম আর কোন চিন্তা না। সফটওয়্যার ছাড়াই…। 300% SPEED



"আসসালামুয়ালাইকুম  রহমতউল্লাহ্হি ওয়াবারাকাতুহ।"

এখন আমি আপনাদের শেখাব কিভাবে ইন্টারনেট এর স্পীড হ্যাক করা যায়। মূলত এটা কন সফটওয়্যার না বলতে পারেন ব্যাসিক হ্যাকিং
  • আপনি প্রথমে cmd ওপেন করুন।{stat menu/all programs/accessories/command prompt  or open run search cmd}
  • নিচের command টি দিন
1
ipconfig/all

  •  আপনাদের DNS SERVER লাইন টা খুঁজে বের করতে হবে
  • উপরে IMAGE  এর মতো DNS SERVER এর IP টা NOTRPAD লীখে রাখুন বা মনে রাখুন
  • এবার নিচের COMMAND টা দিন
1
ping (ip) -t
যেমনঃ
1
ping 117.28.224.146 -t
  • ব্যাস কাজ শেষ আবার দাখুন ইন্টারনেট এর স্পীড বেরে গেসে
  • এইটা মুতল আপনার dns server থেকে স্পীড হ্যাক করে
  • দেখবেন ইন্টারনেট এর স্পীড ৩০০% গুন বেড়ে গেসে
  • ping stop করতে চাইলে ctrl+c.
****যতক্ষণ ইন্টারনেট CONNECT থাকবেন এই টা চালূ রাখুন *******

"

Monday, November 26, 2012

উইন্ডোজ ৮ এর জন্য অফলাইনে .NET Framework 3.5 ইনস্টল করুন


 

উইন্ডোজ ইনস্টল করার পরে,কোনও সফটওয়্যার ইনস্টল করতে গেলে প্রত্যেকেই একটা সমস্যাতে পড়বেন, সেটা হলো সফটওয়্যার ইনস্টল করতে গেলেই .NET Framework 3.5 ইনস্টল করতে বলে, এছাড়া সফটওয়্যারগুলো ইনস্টল হবে না

আমি আজকে,
খুব সহজেই উইন্ডোজ কিভাবে .NET Framework 3.5 অফলাইনে ইনস্টল করবেন সে বিষয়ে আলোচনা করবো
চলুন শুরু করা যাক
উইন্ডোজ এর ইনস্টলেসন মিডিয়া (উইন্ডোজ ডিভিডি/ বুটেবল পেনড্রাইভ) পিসিতে প্রবেশ করান
এবার cmd.exe (Command Prompt) কে স্টার্ট মেনুতে সার্চ করে Run As Administrator করুন
Command Prompt নিচের কমান্ড টি পেস্ট করে Enter কী চাপুন :

dism.exe /online /enable-feature /featurename:NetFX3 /Source:G:\sources\sxs /LimitAccess

এখানে উল্লেখ্য যে G:\ হচ্ছে ইনস্টলেসন মিডিয়া (উইন্ডোজ ডিভিডি/ বুটেবল পেনড্রাইভ) এর ড্রইভ Letter
আপনার ইনস্টলেসন মিডিয়া এর ড্রইভ Letter যদি অন্য হয় ( )তাহলে কমান্ডে শুধুমাত্র G:\ এর পরিবর্তে ইনস্টলেসন মিডিয়া এর ড্রইভ Letter টি বসাতে হবে
যেমন ধরুন
আপনার ইনস্টলেসন মিডিয়া এর ড্রইভ Letter যদি H:\ হয়,
তাহলে কমান্ড টি হবে

dism.exe /online /enable-feature /featurename:NetFX3 /Source:H:\sources\sxs /LimitAccess

Command Prompt কাজ চলতে থাকবে কাজ শেষ হলে "The operation completed successfully"
দেখাবে
এইবার পিসি রিস্টার্ট দিন
ব্যাস কাজ শেষ এবার আপনি আপনার পছন্দের সফটওয়্যারগুলো আরামসে ইনস্টল করতে পারবেন

Saturday, November 10, 2012

উইন্ডোজ এক্সপি পরিচিতি ও সেটআপ (চিত্রসহ পরিপূর্ণ টিউটোরিয়াল )

কেমন আছেন আছেন সবাই? তাই? যাক আলহামদুলিল্লাহ শুনে ভালো লাগলো। হ্যা আল্লাহর রহমতে আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি। আসলে জানেন অনেক দিন কোন লেখা লেখি করি নি। মনটা খুব উসখুস করে লেখা লেখি করার জন্য। কিন্তু এই পড়ালেখা। আহহ ! শুধু পরীক্ষা আর পরীক্ষা। তাই আসলে আর সময় হয়ে ওঠে নি। তো আপনারা হয়তবা জানেন কিছু দিন আগে আমি একটা লেখা লিখেছিলাম আর সেটা হলো রান কমান্ড নিয়ে। আজ সময় পেলাম আর লিখতে বসে গেলাম। :) কিন্তু তার আগে আসুন উইন্ডোজ এক্সপি সম্পর্কে কিছু জেনে নেই। যদিও জানি আপনারা এটা সম্পর্কে জানেন। তবুও আমি মনে করি যা নিয়ে লিখবো তার সম্পর্কে দুই চারটা কথা না বললে কেমন হয়ে যায় না ব্যাপারটা ?

উইন্ডোজ এক্সপি পরিচিতিঃ


আমরা সবাই জানি উইন্ডোজ এক্সপি (Windows XP) একটি অপারেটিং সিস্টেম। মুলত এটি একটি গ্রাফিক্স অপারেটিং সিস্টেম। এটি তৈরী করেছে মাইক্রোসফট কোম্পানী। কম্পিউটারের অন্য অনেক অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে এটি খুবই জনপ্রিয় একটি অপারেটিং সিস্টেম। এটি বাজারে আসে ২০০১ সালে। বাজারে আসার পরপরই এটি বহুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এবং আস্তে আস্তে মানুষের মনে জায়গা করে নেয়। এমন হয়ত খুব কম মানুষই খুজে পাওয়া যাবে যারা এই OS টি ব্যবহার করেন নি। মার্কেটে আসার পর পর এতে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়। আরো উন্নত করা হয়। বর্তমানে এর সর্বশেষ সংস্কারটি অর্থাৎ Service Pack 3 সর্বপ্রথম ২০০৮ সালে বাজারে আসে। যদিও এটি লিনাক্সের মত উইন্ডোজ কিন্তু উম্মুক্ত নয় তার পরেও এটি ব্যবহার করা খুব সহজ। বর্তমানে বাজারে উইন্ডোজ এক্সপির চেয়ে আরো উন্নত অপারেটিং সিস্টেম থাকা সর্ত্ত্বেও এখনো পর্যন্ত আমাদের দেশের প্রায় ৬০% মানুষ উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহার করেন। উইন্ডোজ এক্সপির পরে মাইক্রোসফট এর পক্ষ থেকে বাজারে উইন্ডোজ ভিসতা , সেভেন বাজারে নেমেছে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো এর পরেও উইন্ডোজ এক্সপির ব্যবহারের জনপ্রিয়তায় তেমন কোন প্রভাব ফেলে নি।

যেভাবে সেটআপ দিতে হবেঃ

এবার আসুন শিখে নেই এই অপারেটিং সিস্টেমটি আপনার কম্পিউটারে কীভাবে সেটআপ দিবেন। এটা খুবই সহজ। আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে আমি নিচে ধাপে ধাপে আলোচনা করলাম এবং চিত্র সংযোজন করে দিলাম। তো আসুন এবার শিখে ফেলিঃ
    • আপনার কম্পিউটারের সিডি রমে Microsoft Windows XP এর সিডি ঢুকান। এই সিডিটি আপনি আপনার আশে পাশের কোন কম্পিউটারের দোকানেই কিনতে পারবেন। দাম? বেশী নিবে না। সিডি নিবে ২৫-৩০ টাকা অথবা ডিভিডি হলে ৪৫-৫০ টাকা নিবে। এবার আপনার কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন।

    • যখন বায়োস welcome screen আসবে তখন F12 অথবা Delete প্রেস করে বায়োস সেটিং এ যান। সেখান থেকে Boot অপশন এ গিয়ে আপনার CD-ROM টি 1st Boot এ সিলেক্ট করে দিন। তারপর Save করে বের হয়ে আসুন। ফলে কম্পিউটার পুনরায় Restart নিবে।

    • এবার কিছুক্ষন পর Press any key to boot from CD … লেখা আসবে । এই লেখাটি আসলে আপনার কীবোর্ড থেকে যেকোন একটা Key প্রেস করুন।

    • একটা নীল ক্রীন আসবে। সেখানে সেটআপের সব ফাইলগুলো অটোমেটিক লোড হবে। এখানে কোন কিছু করার দরকার নেই। আপন মনেই লোড হতে দিন সব কিছু।

    • সেটআপের সব ফাইল লোড হয়ে গেলে Enter প্রেস করুন।

    • এখন আপনি ওদের নীতিমালাগুলো মানতে রাজি কিনা সেটা জানতে চাইবে। যেহেতু আমরা রাজি so আপনার কীবোর্ড থেকে F8 প্রেস করুন।

    • এবার বলবে আপনি কি আপনার উইন্ডোজ এক্সপি Repair করতে চান? যেহেতু আমরা উইন্ডোজ এক্সপির fresh copy install করবো তাই আপনার কীবোর্ড থেকে ESC প্রেস করুন। [ যদি এমন কোন অপশন না আসে তাহলে এটা নিয়ে মাথা ঘামানোর কোন দরকার নেই। ]
    • এখন আপনার System ড্রাইভ মানে C ড্রাইভ সিলেক্ট করুন। তারপর কীবোর্ড থেকে D প্রেস করুন। তারপর Enter প্রেস করুন। তারপর আবার L প্রেস করুন। যার ফলে দেখবেন আপনার C ড্রাইভটির পার্টিশন ডিলিট হয়ে যাবে। আবার Enter প্রেস করুন।
    • এবার পার্টিশন অপশন Select করতে বলবে। আপনি ওখান থেকে NTFS ফরমেটটি সিলেক্ট করে Enter প্রেস করবেন।

    • ফলে আপনার C ড্রাইভটি ফরমেট হওয়া শুরু করবে। সবকিছু অটোমেটিক হবে। আপনাকে কোন কিছু করতে হবে না।

    • ফরমেট complete হয়ে গেলে এবার সেটআপ ফাইল আপনার হার্ডডিস্কে কপি হবে। কপি শেষে কম্পিউটার অটোমেটিক রির্স্টাট নিবে।

    • মনে রাখবেনঃ কম্পিউটার রির্স্টাট নেওয়ার পর কিন্তু আবার Press any key to boot from CD … লেখা আসবে । সেখানে কিন্তু কোন কিছু প্রেস করবেন না। সব কিছু অটোমেটিক হবে।

    • এবার নিচের মতো স্ক্রীন আসবে। এখানে কিছু করতে হবে না সব কিছু অটোমেটিক হবে।

    • কিছুক্ষন অপেক্ষা করার পর একটা ডায়ালগ বক্স আসবে। সেখানে Next বাটনে ক্লীক করুন।

    • আপনার নাম ও কোম্পানির নাম অথবা আপনার যা ইচ্ছা করে লিখুন। :) তারপর Next বাটনে ক্লীক করুন।

    • এবার CD Key টাইপ করতে বলবে। যদি CD Key চায় তাহলে আপনার উইন্ডোজ এক্সপির সিডির প্যাকেটের গায়ে দেখুন CD Key দেওয়া আছে। যদি এমন কোন অপশন না আসে তাহলে টেনশন করার কোন প্রয়োজন নেই।

    • এবার আপনার কম্পিউটার name দেখাবে। আপনি যদি আপনার কম্পিউটারে পাশওয়ার্ড ব্যবহার করতে চান তাহলে Administrator Password এ গিয়ে আপনার পাশওয়ার্ড লিখুন। তারপর পুনরায় তা Conform Password এ তা টাইপ করুন। তারপর Next বাটনে ক্লীক করুন।

    • পরবর্তী ধাপে Date আর Time Zone সেট করতে বলবে। সেখানে সব কিছু Default রেখে Next বাটনে ক্লীক করুন।

    • নেটওয়ার্ক সেটিং আসবে। Typical Settings এর রেডিও বাটনটিতে ক্লীক করে mark করে দিন। তারপর Next বাটনে ক্লীক করুন।

    • এইধাপে কোন কিছু পরিবর্তন করার প্রয়োজন নেই। Next বাটনটিতে ক্লীক করুন।

    • ফলে নিচের মতো স্ক্রীন আসবে এবং আবার সব কিছু অটোমেটিং সেটআপ হতে থাকবে। সেটআপ হয়ে গেলে কম্পিউটার অটোমেটিকভাবে Restart নিবে।

    • এরপর কম্পিউটার আবার চালু হবে। যেহেতু CD সিডিরমে ঢুকানোই রয়েছে তাই আবার Press any key to boot from CD … লেখা আসবে । এখানে কোন Key চাপবেন না।

    • নিচের ছবির মতো মেসেজ আসতে পারে। সেখানে OK বাটনে ক্লীক করুন।

    • আবার নিচের ছবির মতো মেসেজ আসতে পারে। সেখানে OK বাটনে ক্লীক করুন।

    • এখন এখানে Next বাটনটিতে ক্লীক করুন।

    • ইন্টারনেট কানেকশন চেক করতে পারে। এই পর্যায়ে Skip বাটনে ক্লীক করুন।

    • আবার Skip বাটনে ক্লীক করুন।

    • রেজিষ্টেশন করতে বলবে। এখানে Not Now এ ক্লীক করুন। তারপর Next বাটনে ক্লীক করুন।

    • এরপর ব্যবহারকারীর নাম লিখুন। তারপর Next বাটনে ক্লীক করুন।

    • ব্যাস! সব কাজ শেষ। এখন Finish বাটনে ক্লীক করুন।

    • এরপর দেখবেন ইনশাআল্লাহ Welcome স্ক্রীন দেখা যাবে।

    • কিছুক্ষন পর আপনার সামনে Desktop হাজির হয়ে যাবে।
দেখলেন তো কত সহজেই নাহ Windows XP সেটআপ দেয়া যায়।

Motherboard সেটআপঃ


এখন আপনার Motherboard এর Driver Install করে Sound , Video, Lan ইত্যাদি সক্রিয় করুন। আর হ্যা মনে রাখবেন এটা কিন্তু অবশ্যই জরুরী Windows XP এর জন্য। কেননা এটা Windows 7 এর মতো নয় যে Automatic সব কিছু সেটআপ নিয়ে নেবে। যদি Motherboard সেটআপ না থাকে তাহলে আপনি গান শোনা, বা ভিডিও দেখা ইত্যাদি কাজ করতে পারবেন না। তবে চিন্তার কোন কারণ নেই। কেননা আপনি যখন পিসি কিনবেন তখন দোকানদারই আপনাকে MotherBoard এর সিডি আপনাকে দিয়ে দিবে। আর যারা 2nd Hand মানে পুরোনো পিসি কিনেছেন তারা তাদের প্রকৃত ব্যবহারকারীর কাছ থেকে এই সিডিটি সংগ্রহ করে নিবেন। আর যদি কোন দুর্ভাগ্যবান থাকেন যে তাদের কাছে কোন সিডি নেই তাহলে তারা তাদের Motherboard এর Driver গুলো Website থেকে নামিয়ে নিতে পারেন। এর জন্য আপনাকে সাহায্য করতে পারে এই ওয়েবসাইটটি। আশা করি আপনারা ওখানেই আপনাদের চাহিদা মতো সব Motherboard এর সফটওয়্যার / ড্রাইভার পেয়ে যাবেন।
আশা করি এই পোষ্টটি আপনাদের কাজে আসবে। আসলে আমি খুবই ব্যস্ত। কারণ আমার কলেজে পরীক্ষা চলছে। তবুও দেখুন? রাত জেগে লিখছি যাতে করে আপনাদের বিন্দুমাত্র উপকার করতে পারি। যদি আপনাদের উপকারে আসে তাহলে আমার এই রাতজাগা পরিশ্রম সার্থক। কোন সমস্যা হলে মতামত করে জানাবেন। আর হ্যা কেমন লাগলো এবং কোন ভুল ক্রুটি থাকলে ক্ষমা করে সেটি জানাবেন। হে আল্লাহ আমাদের সবার উপর আপনার অশেষ রহমত ও করুণা নাযিল করুন। আমীন।
সবাইকে ধন্যবাদ …
-মোঃ ছামী